কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ৩০টি গ্রামে প্রায় দুই হাজার নারী গরু মোটাতাজাকরণ করে বছরে লাখ টাকা আয় করছেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণের সহায়তায় এই পরিবর্তন এসেছে।
আমলা ইউনিয়নের সালমা খাতুন বলেন, “তিন বছর আগে দুটি বাছুর দিয়ে শুরু করি। এবার কোরবানির হাটে ৫টি গরু বিক্রি করে ৪ লাখ টাকা পেয়েছি। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার খরচ এখন আমিই চালাই।”
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, দেশীয় পদ্ধতিতে কাঁচা ঘাস, খড় ও দানাদার খাবার দিয়ে ৪-৬ মাসে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। কোনো ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার না করায় বাজারে এসব গরুর চাহিদা বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নত জাতের ঘাস চাষ ও সুলভে টিকা নিশ্চিত করা গেলে গ্রামীণ প্রাণিসম্পদ খাত আরও বড় অবদান রাখতে পারে।






