মুন্সীগঞ্জে হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করে ভাড়াই উঠছে না বলে অভিযোগ করেছেন চাষিরা। কেজিপ্রতি আলুর পাইকারি দাম নেমেছে ১২ টাকায়, অথচ উৎপাদন ও সংরক্ষণ খরচ পড়েছে ১৮ টাকার বেশি।
সিরাজদিখানের কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, “৫০০ বস্তা আলু হিমাগারে রেখেছি। বস্তাপ্রতি ভাড়া ৩২০ টাকা। এখন বিক্রি করলে লোকসান, না করলে ভাড়া বাড়ে।”
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর দেশে আলুর উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টন, যা চাহিদার চেয়ে ২০ লাখ টন বেশি। রপ্তানি বাড়াতে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, আলু থেকে চিপস, স্টার্চ ও ফ্লেক্স উৎপাদনের শিল্প গড়ে না উঠলে প্রতি বছরই এই সংকট ফিরে আসবে।






