কৃষি খবর ডেস্ক: খুলনার বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করলেও অধিকাংশের দাম বেশি। অন্যদিকে মাছের বাজার রয়েছে আগের মতো। মাংসের বাজারও গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর)খুলনা মহানগরীর গল্লামারি, নিউ মার্কেট ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে ২০-২৫ টাকা কেজি, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, করলা ১০০-১১০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৭০-৮০ টাকা কেজি, কাঁচামরিচের দাম বেড়ে হয়েছে ২০০ টাকা কেজি, পালং শাক ৫০-৬০ টাকা কেজি, পটোল ৪০ টাকা কেজি, ধুন্দল ৪০ টাকা কেজি, আলু ২৫-৩০, কাঁচকলা ২৫-৩০ টাকা হালি, টমেটো ১৮০-২০০, পেঁয়াজ ৫০-৫৫, আদা ১৬০, রসুন ১০০, কচুর লতি, জলপাই ৫০ এবং গাজর ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে, ব্রয়লার মুরগি ১৭৫-১৮০ টাকা কেজি, কক ২৩৫-২৪০ টাকা কেজি, দেশি মুরগি ৫৮০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংস ৭৫০ এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৩০০-৩২০ টাকা কেজি, রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ২৮০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৮০, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০, দেশি কৈ ৫৫০ থেকে ৬০০, চাষের শিং ৫০০ থেকে ৬০০, টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৯০০ এবং কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা আলমগীর বলেন, শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করেছে। এখনো বাজার ভরে ওঠেনি। এজন্য ফুলকপি, শিম, টমেটোর দাম বেশি। তবে অন্য সবজির দাম কিছুটা কম আছে। এই দামের থেকে আর কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই। নিত্যপণ্যের বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছে।
মাছ বিক্রেতা নয়ন গাজী বলেন, মাছের আমদানি কম। ঘেরের মাছ থাকলেও সমুদ্রের মাছের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। আর মাছের ফিডের দাম অনেক বেশি। সে তুলনায় মাছের দাম বৃদ্ধি পায়নি।
ক্রেতা দিপ্র দাস বলেন, বাজারে কিছু কিছু সবজির দাম কমেছে। কিন্তু অনেক সবজির দাম বেশি। গত সপ্তাহের ৮০ টাকার উস্তে আজ দেখছি ১০০ টাকা কেজি। আর ৪০ টাকার লাউ আজ নিলাম ৩০ টাকায়। মুরগির দাম অনেকটা কম ছিল।
অন্য এক ক্রেতা মুক্তা বেগম বলেন, শীতের সবজি ওঠা শুরু করেছে। কিন্তু দাম কমছে না। আর মাছের দাম এ সপ্তাহে ২০-৩০ টাকা কেজিতে কম দেখছি। আবার সমুদ্রের মাছ আর ছোট মাছের দাম চড়া। দিনের মধ্যে দাম হঠাৎ কমে যায় আবার বেড়েও যাচ্ছে।





