রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম এবার যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালিসহ ইউরোপের সাতটি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয় এ বছর ৫ হাজার টন আম রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
উত্তম কৃষি চর্চা (জিএপি) মেনে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম রপ্তানির জন্য নির্বাচিত হচ্ছে। বাঘার আমচাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, “ব্যাগিং করা আমে দাগ থাকে না, কীটনাশকও কম লাগে। বিদেশি ক্রেতারা কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বেশি দেন।”
রপ্তানিকারকরা জানান, শ্যামপুরে সরকারি প্যাকিং হাউস চালু হলে খরচ আরও কমবে। বর্তমানে ঢাকায় এনে প্যাকেজিং করতে হয়, যাতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে।
গত বছর দেশ থেকে ৩ হাজার ১০০ টন আম রপ্তানি হয়েছিল। ইউরোপের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যেও বাংলাদেশি আমের চাহিদা বাড়ছে।






