ময়মনসিংহের ত্রিশালে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে অল্প জায়গায় বেশি মাছ উৎপাদন করে সফল হয়েছেন একদল তরুণ উদ্যোক্তা। মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে ছয়টি ট্যাংকে তারা বছরে ৮ টন তেলাপিয়া ও শিং মাছ উৎপাদন করছেন।
উদ্যোক্তা রাকিব হাসান বলেন, “ইউটিউব দেখে শুরু করেছিলাম। প্রথম বছর ভুল হয়েছে, কিন্তু মৎস্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর এখন লাভ হচ্ছে। মাসে ৬০-৭০ হাজার টাকা আয় থাকছে।”
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য অনুষদের অধ্যাপক বলেন, বায়োফ্লকে পানির গুণাগুণ ঠিক রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে অক্সিজেনের অভাবে মাছ মারা যেতে পারে, তাই বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হয়।
দেশে বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ টন মাছ উৎপাদন হয়, যার ৬০ শতাংশের বেশি আসে চাষের মাছ থেকে। মৎস্য অধিদপ্তর ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন ৭০ লাখ টনে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।




