কৃষি খবর ডেস্ক: গম ও বার্লির নতুন জাত উদ্ভাবনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কম ব্যয়বহুল করতে তিন বছর মেয়াদি একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেছে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক শিল্প ও আঞ্চলিক উন্নয়ন বিভাগ (ডিপিআইআরডি)।
উদ্ভিদ প্রজননের অন্যতম কার্যকর প্রযুক্তি ‘ডাবলড হ্যাপ্লয়েড’ (ডিএইচ) পদ্ধতির ব্যবহার সহজ করা এবং এর ব্যয় কমানোই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। গ্রেইনস রিসার্চ অ্যান্ডে ভেলপমেন্ট করপোরেশনের (জিআরডিসি) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর প্রকল্পটি ঘোষণা করা হয়। এতে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যিক শস্যের জাত উদ্ভাবনকারী দুটি প্রতিষ্ঠান—লংরিচ প্ল্যান্ট ব্রিডার্স ও ইন্টারগ্রেইন—অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
ডাবলড হ্যাপ্লয়েড (ডিএইচ) প্রজনন হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে মাত্র এক প্রজন্মের মধ্যেই জিনগতভাবে বিশুদ্ধ ও স্থিতিশীল ফসলের লাইন তৈরি করা যায়। প্রচলিত প্রজনন পদ্ধতিতে একই ধরনের জিনগত স্থিতিশীলতা অর্জন করতে ছয় থেকে আট প্রজন্ম ধরে বারবার স্ব-পরাগায়ন করতে হয়। এ প্রক্রিয়ায় কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
ডিএইচ প্রযুক্তি এই দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংক্ষিপ্ত করে। এ কারণে বিশ্বজুড়ে গম ও বার্লির জাত উদ্ভাবন কর্মসূচিতে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভারতসহ প্রধান শস্য উৎপাদনকারী দেশগুলোতেও নতুন জাত উদ্ভাবন ও অবমুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সরকারি প্রজনন গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ডিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি লাইন ব্যবহার করছে।
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





