কৃষি খবর ডেস্ক: নওগাঁ জেলার আম বাগানগুলোতে মওসুমী আম প্রায় শেষ পর্যায়ে। মওসুমী প্রচলিত আম যেমন-আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসাপাত, নাকফজলী, বারী-৪, ফজলীসহ বিদশি জাতের বানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকিসহ আর কোনো জাতের আম এলাকার গাছে নেই।
সাপাহার উপজেলায় সোহেল রানার বরেন্দ্র এগ্রো নামের এক কৃষি উদ্যোক্তার বাগানের চিত্র ভিন্ন। এখনও তার বাগানজুড়ে সারি সারি আমগাছে ঝুলছে বিলম্বিত জাতের গৌরমতি এবং বারোমাসি জাতের কাটিমন আম।
প্রচলিত আম এই বাগান থেকে এই মওসুমে কোটি টাকারও বেশি মূল্যে বিক্রি করেছেন উদ্যোক্তা সোহেল রানা। তার বাগান থেকে কমপক্ষে আরও ৬০ লাখ টাকার অপ্রচলিত বিলম্ব জাতের আম গৌরমতি ও বারোমাসি কাটিমন জাতের আম বিক্রির প্রত্যাশা করছেন।
সোহেল রানা দেশের বর্তমান আমের রাজধানী বলে খ্যাত সাপাহার উপজেলা সদরের বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে চাকরির পেছনে না ছুটে গড়ে তুলেছেন ৭৫ বিঘা আয়তনের এই বাগান।
সোহেল রানার এই বাগান পরিচর্যার কাজে কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় কমপক্ষে ১০ জন বেকার যুবকের। প্রতিদিন তারা ৬০০ টাকা করে মজুরি পেয়ে থাকেন যা দিয়ে চলে তাদের সংসার।
বিলম্বিত জাতের হওয়ার ফলে বাগান মালিকরা আমের মূল্যও পাচ্ছেন বেশি। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ আমচাষিদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান।
সূত্র: বিএসএস নিউজ





