কৃষি খবর ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসবাসের পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। একইভাবে শেরপুরসহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি—এমন এলাকাগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন ও ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক সংসদীয় ককাস’-এর আনুষ্ঠানিক পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ককাস গঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনিম সিদ্দিকী।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসবাসের পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, একইভাবে শেরপুরসহ যেসব এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি, সেসব এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে ককাসের চেয়ারপারসন ও সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, প্রতিটি রেমিট্যান্সের পেছনে রয়েছে একেকটি মানবিক গল্প। পরিবার থেকে দূরে থাকা বাবার পরিশ্রম, ঝুঁকি নেওয়া তরুণের স্বপ্ন এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নত ভবিষ্যতের জন্য একটি পরিবারের বিনিয়োগের প্রতিফলন ঘটে রেমিট্যান্সে।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেন, এমপি। এ সময় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিকসহ ককাসের অন্যান্য সদস্য তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।