জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী: মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে খড় কাটার মেশিন কিনে জীবিকা নির্বাহ করছেন অমেজ আলী। নীলফামারী জেলা পলাশবাড়ীর বাসিন্দা তিনি। প্রতিদিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে খড় ও শুকনো ভুট্রা গাছ কেটে গবাদিপশুর খাদ্য তৈরি করাই তার কাজ। এ কাজে প্রতিদিন তাঁর আয় হয় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।

কৃষিনির্ভর গ্রামবাংলায় গবাদিপশুর খাদ্যসংকটের এই সময়ে অমেজ আলীর খড় কাটার মেশিনটি অনেকেরই কাজে আসছে। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুম শুরু না হওয়ায় গবাদিপশুর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক খামারি ও গৃহস্থ।

স্থানীয় বাসিন্দা মর্জিনা বেগম বলেন, আগাম ধান না আসায় গবাদিপশুর খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে গরুর খাবারের চাহিদা মেটাতে ভুট্টার শুকনো গাছ কেটে খাদ্য তৈরি করছি।

তিনি আরও বলেন, ভুট্টার শুকনো গাছ গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে আপাতত খাবারের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করছি।

খড় কাটার মেশিনের মাধ্যমে একদিকে যেমন অমেজ আলীর কর্মসংস্থান হয়েছে, অন্যদিকে গবাদিপশুর খাদ্য প্রস্তুতেও সুবিধা পাচ্ছেন স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা। এতে তাঁর সংসার চালানোর পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের খাদ্যসংকট মোকাবিলায়ও ভূমিকা রাখছে এই উদ্যোগ।