কৃষি খবর ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের বড়বাজার জমজমাট এখন হাওরের মাছের শুটকিতে। চিংড়ি, চাপিলা, মলা, কাঁচকিসহ হরেক রকমের শুটকি থাকলেও চাহিদা বেশি চ্যাপা শুটকির। প্রতি মৌসুমে শুটকি বেচাকেনা হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার মণ।
দেশি অন্তত ৪০ ধরনের মাছের শুটকি তৈরির এই মহাযজ্ঞ কিশোরগঞ্জের হাওড় এলাকায়। এখান থেকে প্রক্রিয়াজাত করে হাটে নেয়া হয় শুটকি। যেখান থেকে চ্যাপা শুটকি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় শুকনো পুটি মাছ সংগ্রহ করেন ব্যবসায়ীরা। পুটি ছাড়াও অন্যান্য মাছের বেচাবিক্রি কম নয়। ২০ থেকে ২২টি আড়তে ক্রেতাবিক্রেতার হাকডাকে তাই সরগরম বাজার।
গেল বছরের চেয়ে শুটকির উৎপাদন বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার পাল। ৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই পাইকারি বাজারে প্রতি মৌসুমে শুটকি বেচাকেনা হয় অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার মণ।





