জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও শ্রমিকদের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলে ‘বিল্ডিং আ রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ শ্রিম্প সাপ্লাই চেইন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে শুধু চিংড়ি রপ্তানি থেকেই এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার।
তিনি বলেন, চিংড়ি রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান এবং হাজারো চাষি ও শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চিংড়ি খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে আধুনিক চাষপদ্ধতি, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, উৎপাদনের মান বৃদ্ধি, জলজ পরিবেশ রক্ষা এবং চাষিদের সহায়তায় সরকার কাজ করছে। এ খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক হোটেলশিল্পের শেফদের বাংলাদেশ সফর চিংড়ি উৎপাদকদের বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা বুঝতে সহায়তা করবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। এতে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, পারস্পরিক আস্থা এবং উন্নত বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা বক্তব্য দেন। সমাপনী বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন।





