কৃষি খবর ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৃথক দুই অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৭২৩ বস্তা সরকারি রাসায়নিক সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, লাইসেন্স ছাড়াই বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সরকারি সার মজুত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় দুই সার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে জীবননগর শহরের দত্তনগর সড়কে শান্তনা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় দোকানের মালিক আবুল কালাম আজাদ পালিয়ে যান।
অন্যদিকে, শনিবার সকালে উপজেলার হাসাদাহ বাজারের তৌফিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে আরও ৩২০ বস্তা ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী আব্দুল খালেকের উপস্থিতিতে তার তিনটি দোকান সিলগালা করা হয়।
জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ জানান, দুই ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।






