কৃষি খবর ডেস্ক: আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, কৃষি উৎপাদনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এখন শুধু উৎপাদন বাড়ালেই চলবে না, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যাগ্রোনমির ২৫তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই জমিতে কম খরচে বেশি ও উন্নতমানের ফসল উৎপাদনের উপায় বের করতে হবে। একই সঙ্গে কৃষি গবেষণার সুফল কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবছর দেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং গবেষণাপত্র প্রকাশ করছেন। কিন্তু এসব উদ্ভাবনের সুফল কতজন কৃষক পাচ্ছেন, সেটিও মূল্যায়ন করা জরুরি।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্ভাবন, সমস্যা সমাধান ও কৃষি খাতের রূপান্তরের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক কৃষি অর্থনীতির জন্য দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। বিশেষ করে কৃষিযন্ত্র পরিচালনা, সেচ প্রযুক্তি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যাগ্রোনমির সভাপতি ড. এ কে এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুস সালাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম।






