জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিজস্ব পদ্ধতিতে গরুর পুষ্টিকর দানাদার খাদ্য তৈরি করছেন খামারি রুবেল ইসলাম। কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ী গ্রামে গড়ে তুলেছেন এ খাদ্য তৈরির উদ্যোগ। নিজের খামারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদিত খাদ্য বিক্রি করছেন ঢাকার মোহাম্মদপুরেও।

খামারি রুবেল ইসলাম জানান, সাইরেজ খাবার থাই জাতের ষাঁড় গরু দ্রুত ও সুস্থভাবে মোটাতাজাকরণের জন্য বিশেষ পদ্ধতিতে এ পুষ্টিকর খাদ্য তৈরি করছেন তিনি। ভুট্টার গাছ, ভুট্টার মোচা এবং বিভিন্ন জাতের ঘাসসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয় এ খাদ্য।

তিনি আরও জানান, সাইরেজ খাদ্য তৈরির পর পলিথিন দিয়ে ঢেকে প্রায় ২১ দিন সংরক্ষণ করতে হয়। ২২  দিন পর পলিথিন খুলে খাদ্য বস্তায় ভরে প্যাকেটজাত করা হয়। এরপর তা নিজের খামারে ব্যবহার করার পাশাপাশি বাজারজাত করা হয়।

রুবেল ইসলাম বলেন, প্রথমে নিজের খামারের চাহিদা মেটানোর জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এখন অতিরিক্ত উৎপাদিত পুষ্টিকর খাদ্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিক্রি করছি। এতে ভালো আয়ও হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যায়ে নিজস্ব উদ্যোগে গবাদিপশুর পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে খামারের খরচ কমানোর পাশাপাশি নতুন আয়ের পথ তৈরি করেছেন রুবেল ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে গবাদিপশু পালন ও খামার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।